নিজস্ব প্রতিবেদক:
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে একটি কুঁড়ার মিলে থেকে শতাধিক বস্তা-ভর্তি সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার ২৪ মে দুপুরে পৌর শহরের খরকমারা এলাকার রেললাইনের পশ্চিম পাশে জিল্লু মিয়ার কুঁড়ার মিলে এই চাল পাওয়া যায়। খবর পেয়ে কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াছিন খন্দকার কুঁড়ার মিলে উপস্থিত হয়ে মিলটি সিলগালা করার নির্দেশ দেন। এ সময় কুলিয়ারচর এলএসডি গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দীন মিলটিতে তালা লাগিয়ে দেন।
এদিকে ঘটনাটি অবগত হওয়ার পর পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সরকারি খাদ্য সহায়তার চাল কীভাবে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন মিলে পৌঁছালো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াছিন খন্দকার বলেন, খবর পেয়ে কুঁড়ার মিলে গিয়ে সরকারি প্রায় শতাধিক চালের বস্তা পাওয়া গেছে। তবে মিল মালিক জিল্লু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকৃত চালের উৎস, মজুতের উদ্দেশ্য এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা চক্র শনাক্তে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।